এই সংলাপটি বেশি শুনতে হয় ফারুক আহমেদের

John Smith | আপডেট: ৫ এপ্রিল ২০২৬, ১:৫৫ দুপুর

নাটকটির নাম ‘বৃক্ষমানব’। এই নাটকের ‘গাঞ্জা খাইয়া কূল পাই না, পড়াশোনা করব কোন সময়’—এই সংলাপ প্রায় প্রতিদিন কোনো না কোনোভাবেই তাঁকে শুনতেই হয়। এমনকি সর্বাধিকবার শুনতে হয়েছে, এমনটাই জানালেন অভিনেতা ফারুক আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘ভক্তরা ভালোবাসেন বলেই তো আজ এত দূর আসতে পেরেছি। তাঁরা আমাকে দেখে সংলাপ বলেন, এটা অনেক বড় প্রাপ্তি। এটা মনে করিয়ে দেয় অভিনেতা হিসেবে আমি হয়তো সফল।’

শুটিংয়ে কিংবা ব্যক্তিগত কাজে বাইরে বের হলে আর কী কী সংলাপ শুনতে হয়? এমন প্রশ্নে তিনি জানান, যেখানে যান, সংলাপ বলেই দর্শকেরা তাঁকে ঘিরে ধরেন।

prothomalo-bangla%2F2021-05%2Fba13392a-4ddb-4472-82b3-06990185cb48%2F75388258_1227564584095170_2919029644613124096_n.jpg?w=622&auto=format%2Ccompress&fmt=avif

কখনো দেখলেই বলেন, ‘বংশের একটা ইজ্জত আছে, আমরা সরকার বংশ’, ‘দূর ছাতা, আবার বলে তৈয়ব ভাই, অত ভাই ব্রাদারের আমার সময় নাই’, ‘আমি বোকাসোকা মানুষ, আল্লাহপাক আমার মাথায় বুদ্ধিসুদ্ধি দেয় নাই’, কেউ কেউ আবার বলেন, ‘ফুলি, আজ তোমারে অধিক সৌন্দর্য লাগতেছে।’ থেমে থেকে সংলাপগুলো মনে করার চেষ্টা করেন এ অভিনেতা।

ফারুক আহমেদ বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যে সংলাপ জনপ্রিয়, সেগুলোই বলেন। যেমন আরও আছে, “জীবনটা হইল একটা কুয়া, যার কুয়া যত গভীর, তার জীবনের দুঃখ তত বেশি”, “সত্য কথা দিনে চৌদ্দবার বলা যায়”, “কী জন্য মারল কিছুই বুঝতে পারলাম না”, “আপনাকে দেখলেই বোঝা যায় উচ্চশিক্ষিত”, “দুধ মধুর চেয়েও মিষ্টি, আরেক গ্লাস দুধ দিতে বলেন”সহ বহু সংলাপ প্রায়ই শুনতে হয়। এগুলোর ফেসবুক, ইউটিউবে কোটি ভিউ। নিয়মিতই কেউ না কেউ সংলাপগুলো আপলোড দেন। তবে একটা মজার ব্যাপার দেখি, কেউ বিরক্ত হয় না। সবাই ভালোভাবে নেন। প্রশংসা করেন।’

prothomalo-bangla%2F2025-12-18%2Fydcgttgc%2FWhatsApp_Image_2025_12_16_at_1_03_19_PM.jpeg?w=622&auto=format%2Ccompress&fmt=avif

হুমায়ূন আহমেদের পরবর্তী কাজগুলো নিয়ে রয়ে গেছে আফসোস। এ প্রসঙ্গে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘সংলাপগুলো দর্শক পছন্দ করেন, এটা ভালো লাগে; কিন্তু বেশির ভাগ সংলাপ অনেক আগের। গত ২০ বছরে নতুন কী চরিত্র, সংলাপ যোগ হলো, সেটা ভাবায়। একজন অভিনেতার নানা চরিত্রের ক্ষুধা থাকে। পরিচালকেরা অভিনয়শিল্পীদের নানাভাবে আবিষ্কার করলে এই আফসোস থাকে না। তাহলেই একজন বৈচিত্র্যময় অভিনয়শিল্পী হয়ে ওঠেন। এখন সিনেমা–নাটকে নানাভাবে নিজেকে ভাঙার চেষ্টা করছি। অনেক আর গৎবাঁধা চরিত্রে অভিনয় করতে চাই না।’

prothomalo-bangla%2F2020-09%2F50213417-387f-4c6b-a74e-c296576faa74%2Ffaruque__3_.jpg?w=1536&auto=format%2Ccompress&fmt=webp

গত ২৫ মার্চ ছিল এ অভিনেতার জন্মদিন। ১৯৬০ সালে মানিকগঞ্জ জেলায় তাঁর জন্ম। বিশেষ দিনটি ৩৫ বছরের ক্যারিয়ারে কখনো উদ্‌যাপন করেননি তিনি। ফারুক আহমেদ জানান, পাকিস্তানের সেই কালরাতের সাক্ষী তিনি। জন্মদিনে সেই গণহত্যার ঘটনাগুলোই মনে পড়ে। জানালেন, মার্চ মাসটা মন খারাপ করেই কাটে।

Your experience on this site will be improved by allowing cookies.