চুয়াডাঙ্গায় ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে একমাত্র আসামির মৃত্যুদণ্ড

আহমেদ ফারুক | আপডেট: ২০ জুলাই ২০২৬, ৩:৪০ দুপুর

চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে একমাত্র আসামি আবুল হোসেন মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ১০ বছরের মেয়েশিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে একমাত্র আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে (৩০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত আবুল হোসেন পেশায় ভ্যানচালক। রায় ঘোষণার পর পুলিশি প্রহরায় তাঁকে আদালত থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রী কয়েকজন শিশুর সঙ্গে মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে আবুল হোসেন তাকে খেতের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করা হয়।'ঘটনার পরের দিন নিহত শিশুর বাবা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে জীবননগর থানায় একটি মামলা করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ আবুল হোসেনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর ২০২৪ সালের ৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গার আদালতে তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওই বছরের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এম এম শাহজাহান বলেন, আদালত ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে আসামিকে এ শাস্তি দেন। এ মামলার রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী ওহিদুজ্জামান রায়ে সংক্ষুব্ধ বলে জানিয়েছেন। তাঁরা উচ্চ আদালতে যাবেন।

Your experience on this site will be improved by allowing cookies.