এনএসসিতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা যাঁদের সম্পৃক্ততা পেয়েছিলাম, তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চেষ্টা করেছি। তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে যা পেয়েছি, সেভাবে সুন্দরভাবে (প্রতিবেদন দেওয়ার) চেষ্টা করেছি। সংক্ষিপ্তভাবে কাউকে অভিযুক্ত না করে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনের সময় যা পেয়েছি, সে সম্বন্ধে প্রতিবেদন দিয়েছি।’
তবে প্রতিবেদনে কী আছে, এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের থেকেই বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান।
গত বছর অক্টোবরে বিসিবি নির্বাচনের সময় জেলা ও বিভাগের কাউন্সিলর মনোনয়ন ও ক্লাব ক্যাটাগরির নির্বাচনে অস্বচ্ছতার অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায় একটি পক্ষ।
তখন তাদের অভিযোগ ছিল সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার বিরুদ্ধেও। তবে তদন্ত কমিটি ডাকলেও তাতে সাড়া দেননি সাবেক এই উপদেষ্টা। তখনকার নির্বাচন কমিশন ও বিসিবির বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিখিত জবাব দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

কী ধরনের সুপারিশ প্রতিবেদনে করা হয়েছে, জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছিলাম একটা সুপারিশ দেওয়ার জন্য যে (ভবিষ্যতে) নির্বাচনটা সুন্দর করার জন্য বা এই বোর্ডসংক্রান্ত আর কোনো সুপারিশ করা যায় কি না, এই সম্পর্কে আমরা কিছু গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’
গত ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতি আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে বিসিবি নির্বাচনে অনিয়ম তদন্তে কমিটি করেছিল এনএসসি। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল তাদের। সেই সময় শেষ হওয়ার আগেই প্রতিবেদন জমা দিলেন তাঁরা।