বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আবারও বসছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আসর

John Smith | আপডেট: ৩ মে ২০২৬, ৩:৪৩ দুপুর

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬’–এর উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ শনিবার বিকেলে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে

দীর্ঘ দুই দশক পর বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আবারও বসছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আসর। আগামী ৮ ও ১০ জুন এই স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ‘এ’ দল বনাম জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের ওয়ানডে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।

আজ শনিবার বিকেলে শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬ ’–এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বিনা ভোটের বিগত স্বৈরাচার সরকার দেশে তৈরি করেছে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আর মাদক ব্যবসায়ী। অন্যদিকে জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর নির্বাচনী যেসব প্রতিশ্রুতি ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের, সেসব পূরণে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, ইমাম–মুয়াজ্জিনদের বেতন–ভাতাসহ খেলোয়াড়দের পেশা হিসেবে খেলাধুলা বেছে নিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট চালু করা হয়েছে।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের যাত্রা শুরু প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আজ এক ঐতিহাসিক দিন। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নতুন কুঁড়ির মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করেছিলেন। পরে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছিলেন। সেই নতুন কুঁড়ি নতুন করে চালু তো হবেই, পাশাপাশি খেলোয়াড়দের জন্য নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আজ উদ্বোধন হলো। আটটি খেলায় সারা দেশে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে সেরাদের বাছাই করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে যারা সেরা হবে, তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করবে।

শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের ভেন্যু ব্যবস্থাপক জামিলুর রহমান জানান, ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডের পর শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়নি। ২০২৩ সালে এই স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ভেন্যু বাতিল করে বিসিবি। ২০২৩ সালের ২ মার্চ বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে দ্বন্দ্বে স্টেডিয়ামের মূল মালিক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) কাছে স্টেডিয়ামটি হস্তান্তরের জন্য চিঠি দেয় বিসিবি। এরপর ওই দিনই শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে কর্মরত বিসিবির ১৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বগুড়া থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এ ছাড়া স্টেডিয়ামে থাকা রোলার, পিচ কাভারসহ মাঠ ও খেলার যাবতীয় সরঞ্জাম এবং ড্রেসিংরুমের আসবাব ঢাকায় নিয়ে যায় বিসিবি। স্থানীয় বাসিন্দাদের আন্দোলনের মুখে বিসিবি পরে জনবলসহ মালামাল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। ফিরিয়ে দেওয়া হয় জনবল ও যাবতীয় সরঞ্জাম। তবে মাঠ সংস্কারে আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

Your experience on this site will be improved by allowing cookies.