২৫ থেকে ৩২ বয়সীদের জন্য নেক্সজেন গ্র্যাজুয়েট ফেলোশিপ

John Smith | আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৩ দুপুর

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মেধা ও নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতাকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে চালু হয়েছে এক বিশেষ কর্মসূচি নেক্সজেন গ্র্যাজুয়েট ফেলোশিপ।

যৌথ উদ্যোগে নেতৃত্বের বিকাশ

এই ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম মূলত নাগরিকতা-সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ) কর্মসূচির একটি অংশ। এটি সুইজারল্যান্ড সরকার, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগিতায় এবং জিএফএ কনসালটিং গ্রুপের সরাসরি পরিচালনায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাংলাদেশে এই ফেলোশিপ প্রোগ্রামটি সফলভাবে পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে তরুণদের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও ইয়ুথনেট গ্লোবাল।

প্রোগ্রামের রূপরেখা

ছয় মাস মেয়াদি এই নিবিড় ফেলোশিপটি মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে বিভক্ত। প্রথম তিন মাস হবে লিডারশিপ ইমারশন ইনটেনসিভ বুটক্যাম্প। এখানে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে আধুনিক লিডারশিপ কৌশলগুলো শিখবেন। পরবর্তী তিন মাস হবে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা বা ইন্টার্নশিপ পর্যায়। এই কর্মসূচির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো অংশগ্রহণকারীদের সরকার, করপোরেট, এনজিও ও একাডেমিয়ার প্রধান খাতে সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। ফেলোরা এখানে কেবল পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন না, প্রকল্প বাস্তবায়নে নীতিনির্ধারণী বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন।

পেশাগত অর্জন ও নেটওয়ার্ক

ফেলোশিপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা বিভিন্ন সেক্টর ও ইন্ডাস্ট্রি লিডারদের কাছ থেকে সরাসরি মেন্টরশিপ পাবেন। এ ছাড়া উচ্চতর প্রোগ্রামের আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন ও একটি শক্তিশালী পেশাগত নেটওয়ার্কের অংশ হওয়ার সুযোগ থাকবে, যা তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ারে বাড়তি সুবিধা প্রদান করবে।

আবেদনের বিস্তারিত

নেক্সজেন গ্র্যাজুয়েট ফেলোশিপের জন্য আবেদনের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, এই ফেলোশিপের মাধ্যমে দেশের তরুণরা কেবল ব্যক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনেও বড় ভূমিকা রাখবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ এপ্রিল ২০২৬।

আবেদনের ঠিকানা দেখুন এখান

Your experience on this site will be improved by allowing cookies.