জগন্নাথের উপাচার্যকে নিয়ে ‘বিতর্কিত মন্তব্য’, প্রতিবাদে সাদা দলের বিবৃতি

John Smith | আপডেট: ৭ মে ২০২৬, ৯:২১ সকাল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’।

বুধবার রাতে পাঠানো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের সভাপতি অধ্যাপক মো. আজম খানের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে সাদা দলের নেতারা বলেন, উপাচার্যকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে যেসব মন্তব্য করা হচ্ছে, তা তাঁর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব মন্তব্যে ব্যবহৃত ভাষা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ গঠিত হয়। এ বছরের প্রথমে যা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় আশা পূরণ করেছে। ছাত্র সংসদের কার্যক্রম সর্বদাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি ও লেখাপড়া সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা। কিন্তু অতীব দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করা যাচ্ছে যে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ তাদের নিজস্ব উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন রকম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা কিনা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক হিসেবে উপাচার্য ছাত্র সংসদেরও সভাপতি, তাই তাঁর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়াটাই সবার কাছে কাম্য।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনকে নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা রকম বিতর্কিত মন্তব্যে উপাচার্যের ভাবমূর্তি এবং কর্ম–উদ্দীপনা হ্রাস পাচ্ছে। এমন ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, যা মেনে নেওয়াটা সহজ নয়। এ অবস্থায় সাদা দলের পক্ষ থেকে ছাত্র সংসদের নেতা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে, যাতে উপাচার্য এবং অন্যান্য শিক্ষকমণ্ডলীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ব্যাপারে সাদা দল আরও মনে করে যে এ রকম ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির জন্য কখনো ভালো কিছু বয়ে আনবে না। তাই অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে ছাত্র সংসদের সদস্যদের কাছে অনুরোধ করা হচ্ছে তারা যেন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে।

Your experience on this site will be improved by allowing cookies.