ইরানের কোচের অভিযোগ, ফুটবলারদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের কারণ টিভি উপস্থাপকের সেই মন্তব্য

John Smith | আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৬ দুপুর

নারী এশিয়ান কাপে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক উপস্থাপকের মন্তব্যে প্রভাবিত হয়েছিলেন দেশটির মেয়েদের ফুটবল দলের খেলোয়াড়েরা। এতে কিছু খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন ইরান নারী ফুটবল দলের কোচ মারজিয়ে জাফারি।

শুক্রবার ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফআইআরআই) টেলিগ্রাম পেজে প্রকাশিত বিবৃতিতে জাফারি এ কথা জানান। তবে পরে সেটি মুছে দেওয়া হয়।

অস্ট্রেলিয়ায় চলমান এএফসি নারী এশিয়ান কাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় ইরান। টুর্নামেন্টটি শুরু হয়েছে এমন সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা চালায়। সে হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।

‘এ’ গ্রুপে ইরান তিন ম্যাচের সব কটিতে হেরে এরই মধ্যে দেশের উদ্দেশে অস্ট্রেলিয়া ছেড়েছে। তবে দলটির ছয় সদস্য রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় থেকে গেছেন। ২ মার্চ দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে খেলা শুরুর আগে জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় ইরানের খেলোয়াড়েরা নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এরপর ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উপস্থাপক মোহাম্মদ রেজা শাহবাজি জাতীয় সংগীতে গলা না মেলানোয় খেলোয়াড়দের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ বলে অভিহিত করেন।

prothomalo-bangla%2F2026-03-11%2F2jn1217y%2F2026-0
ইরান নারী ফুটবল দল / রয়টার্স

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের দেওয়া বিবৃতিতে কোচ জাফারি বলেন, ‘আমাদের মেয়েদের ওপর প্রথম ম্যাচে তৈরি হওয়া ভারী পরিবেশের প্রভাব পড়েছিল।’

ইরানের কোচ সেই উপস্থাপকের মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘বড় ভুলটি করেছেন তাঁরা, যাঁরা দেশে বসে সেই পরিস্থিতি না বুঝেই মেয়েদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। আমি ফেডারেশনকে বিষয়টি দেখার অনুরোধ করেছি। কারণ, এটি আমাদের খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে প্রভাবিত করেছে এবং এর পরিণতি আমাদের ভোগ করতে হয়েছে। আমি নিশ্চিত, ওই পরিস্থিতি তৈরি না হলে আমাদের কোনো খেলোয়াড়ই অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যেত না।’

 

Your experience on this site will be improved by allowing cookies.