ফুরিয়ে যাচ্ছে ইন্টারসেপ্টর, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে ঝুঁকিতে ইসরায়েল

John Smith | আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬, ৯:০৯ সকাল

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে রোববার। এই হামলার জবাবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক অবস্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে চলেছে ইরান। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে এসেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশটির একটি সংবাদমাধ্যম এমন তথ্য দিয়েছে।

যদিও বিষয়টি অস্বীকার করেছে ইসরায়েল।

চলমান এই যুদ্ধে রোববার পর্যন্ত ৫৪তম ধাপে ইসরায়েল এবং মার্কিন অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। কয়েক দিনে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের পরিমাণও বেড়েছে।

গত বছর ইরানের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় বিপুল পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহারের ফলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আগে থেকেই কিছুটা দুর্বল ছিল। বর্তমান সংঘাতে ইরানের টানা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইসরায়েলের দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।

তবে ইন্টারসেপ্টরের মজুত ‘বিপজ্জনক পর্যায়ে কমে আসার’ খবর নাকচ করে দিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর ইসরায়েলের একটি স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সার বলেন, এর উত্তর হলো ‘না’।

বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তাদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার ওয়ারহেড’ বা গুচ্ছ বোমা যুক্ত করেছে। এটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টরের মজুত দ্রুত শেষ করে দিচ্ছে।

ওয়াশিংটন কয়েক মাস ধরেই সম্ভাব্য এই সমস্যার বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে আসছিল। এক মার্কিন কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সেমাফোরকে বলেন, ‘এমনটিই হওয়ার কথা ছিল এবং বিষয়টি আমরা আগেই বুঝতে পেরেছিলাম।’

prothomalo-bangla%2F2023-10%2F8f799028-c98d-47ac-8
আয়রন ডোমের মাধ্যমে ৯০ শতাংশ রকেট হামলা ঠেকানোর দাবি করছে ইসরায়েলফাইল ছবি: রয়টার্স

তবে ওই কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন কোনো সংকট নেই এবং তাদের হাতে পর্যাপ্ত ইন্টারসেপ্টর মজুত রয়েছে। ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ শুরু হলে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে—এমন ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই এই মন্তব্য সামনে এল।

ওয়াশিংটন ইসরায়েলকে অতিরিক্ত ইন্টারসেপ্টর সরবরাহ করবে কি না, তা এখনো অস্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রের আগের সামরিক সহায়তা প্যাকেজগুলোতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে নতুন করে আরও সরঞ্জাম সরবরাহ করা হলে তা মার্কিন মজুতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ওই মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘এই (মধ্যপ্রাচ্য) অঞ্চলে আমাদের ঘাঁটি, কর্মী এবং স্বার্থ রক্ষায় যা প্রয়োজন, তার সবটুকুই আমাদের আছে।’ তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল তাদের এই সংকট মোকাবিলায় নিজেরাই সমাধান খুঁজে বের করছে।

এদিকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘কার্যত অসীম’ যুদ্ধাস্ত্রের মজুত রয়েছে। তবে তাঁর এই দাবি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মার্কিন চিন্তন প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্যমতে, গত জুনে ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের সময় ১৫০টির বেশি ‘থাড’ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর নিক্ষেপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এটি ওই সময় মার্কিন মজুতের প্রায় এক-চতুর্থাংশের সমান ছিল। এ ছাড়া বর্তমান যুদ্ধের শুরুর দিনগুলোতে ওয়াশিংটন প্রায় ২৪০ কোটি ডলার মূল্যের ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টর ব্যয় করেছে বলে জানা গেছে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে রোববার। এই হামলার জবাবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক অবস্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে চলেছে ইরান। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে এসেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশটির একটি সংবাদমাধ্যম এমন তথ্য দিয়েছে। যদিও বিষয়টি অস্বীকার করেছে ইসরায়েল।

চলমান এই যুদ্ধে রোববার পর্যন্ত ৫৪তম ধাপে ইসরায়েল এবং মার্কিন অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। কয়েক দিনে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের পরিমাণও বেড়েছে।

গত বছর ইরানের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় বিপুল পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহারের ফলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আগে থেকেই কিছুটা দুর্বল ছিল। বর্তমান সংঘাতে ইরানের টানা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইসরায়েলের দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।

তবে ইন্টারসেপ্টরের মজুত ‘বিপজ্জনক পর্যায়ে কমে আসার’ খবর নাকচ করে দিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর ইসরায়েলের একটি স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সার বলেন, এর উত্তর হলো ‘না’।

বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তাদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার ওয়ারহেড’ বা গুচ্ছ বোমা যুক্ত করেছে। এটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টরের মজুত দ্রুত শেষ করে দিচ্ছে।

ওয়াশিংটন কয়েক মাস ধরেই সম্ভাব্য এই সমস্যার বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে আসছিল। এক মার্কিন কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সেমাফোরকে বলেন, ‘এমনটিই হওয়ার কথা ছিল এবং বিষয়টি আমরা আগেই বুঝতে পেরেছিলাম।’

তবে ওই কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন কোনো সংকট নেই এবং তাদের হাতে পর্যাপ্ত ইন্টারসেপ্টর মজুত রয়েছে। ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ শুরু হলে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে—এমন ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই এই মন্তব্য সামনে এল।

ওয়াশিংটন ইসরায়েলকে অতিরিক্ত ইন্টারসেপ্টর সরবরাহ করবে কি না, তা এখনো অস্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রের আগের সামরিক সহায়তা প্যাকেজগুলোতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে নতুন করে আরও সরঞ্জাম সরবরাহ করা হলে তা মার্কিন মজুতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ওই মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘এই (মধ্যপ্রাচ্য) অঞ্চলে আমাদের ঘাঁটি, কর্মী এবং স্বার্থ রক্ষায় যা প্রয়োজন, তার সবটুকুই আমাদের আছে।’ তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল তাদের এই সংকট মোকাবিলায় নিজেরাই সমাধান খুঁজে বের করছে।

এদিকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘কার্যত অসীম’ যুদ্ধাস্ত্রের মজুত রয়েছে। তবে তাঁর এই দাবি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মার্কিন চিন্তন প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্যমতে, গত জুনে ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের সময় ১৫০টির বেশি ‘থাড’ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর নিক্ষেপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এটি ওই সময় মার্কিন মজুতের প্রায় এক-চতুর্থাংশের সমান ছিল। এ ছাড়া বর্তমান যুদ্ধের শুরুর দিনগুলোতে ওয়াশিংটন প্রায় ২৪০ কোটি ডলার মূল্যের ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টর ব্যয় করেছে বলে জানা গেছে।

চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা যে চাপের মুখে পড়েছে, তা স্পষ্ট। দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সামরিক সরঞ্জাম কিনতে ৮২ কোটি ৭০ লাখ ডলারের জরুরি বাজেট বরাদ্দ অনুমোদন করেছে ইসরায়েল। সপ্তাহান্তে এক টেলিফোন বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যরা এই প্যাকেজ অনুমোদন করেন। বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিয়ে বলা হয়েছে, এই অর্থ ‘নিরাপত্তা সরঞ্জাম ক্রয়’ এবং ‘জরুরি প্রয়োজন’ মেটাতে ব্যয় করা হবে।

Your experience on this site will be improved by allowing cookies.