চুল কোঁকড়া করতে চাইলে কী করবেন

John Smith | আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১০:০৭ দুপুর

চুলের স্টাইলে খেলোয়াড় কিংবা অভিনেতাদের সাধারণত অনুকরণ করে থাকেন তরুণেরা। তবে এই ধারায় ইদানীং পরিবর্তন এসেছে। সেই জায়গা নিয়েছেন এখন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা।

ফ্যাশন আইকন হিসেবে নয়; বরং পছন্দের ব্যক্তি হিসেবে এসব ইনফ্লুয়েন্সারকে অনুকরণ করছেন তরুণেরা। আলফা, জেন–জিদের মধ্যে চুল কোঁকড়া করার ধারাও সে কারণে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সোজা চুলকেই এখন কৃত্রিমভাবে কোঁকড়া করছেন ছেলেরা।

prothomalo-bangla%2F2026-03-30%2Fjpnvomzo%2F040A8573.jpg?w=622&auto=format%2Ccompress&fmt=avif

কাদের মানাবে
সব ধরনের মুখের গঠনেই কোঁকড়া চুল ভালো যায়। তবে গোল বা ডিম্বাকৃতির মুখের গড়নে এই চুল বেশি মানানসই। মুখের গড়ন লম্বাটে কিংবা স্পষ্ট চোয়ালের রেখা (শার্প জ লাইন) থাকলেও এটি মানিয়ে যায়।

লম্বা মুখের ক্ষেত্রে সব চুল কোঁকড়া না করে কিছু জায়গায় করলে ভালো দেখাবে। দৈর্ঘ্য অনুযায়ী কোঁকড়ানো চুলের কাট বাছাই করতে হবে। ছোট চুলের ক্ষেত্রে দুই পাশে ফেড করে কাটলে সুন্দর দেখায়। সঙ্গে চাপদাড়ি মানানসই।

লম্বা চুলের ক্ষেত্রে কাটতে হবে লেয়ারিং করে। আবার পেছনের চুল ছোট রেখে সামনের দিকে কানের ওপর দিয়ে জুলফি রাখলে সুন্দর ভারসাম্য তৈরি হয়। কোঁকড়ানো চুল প্রাকৃতিক কালো রঙেই ভালো লাগে।

তবে চাইলে গায়ের রঙের সঙ্গে মানিয়ে চুলে রং করা যেতে পারে।

যত্ন দরকার

prothomalo-bangla%2F2026-03-30%2Fhhsrtd8u%2F040A8399.jpg?w=622&auto=format%2Ccompress&fmt=avif

চাইলে বাড়িতেই অস্থায়ীভাবে চুল কোঁকড়া (টেম্পোরারি কার্লিং) করা যেতে পারে। এটি শ্যাম্পু করলেই চলে যায়। টেম্পোরারি কার্লিং করার জন্য কার্লিং মেশিন পাওয়া যায়। চুল সোজা করার যন্ত্রের মতোই এটি ব্যবহার করা হয়।

তবে লম্বা সময়ের জন্য চুল কোঁকড়া করতে দক্ষ কসমেটোলজিস্টের সাহায্য নিতে হবে। লম্বা সময়ের জন্য কোঁকড়া করতে চুলে বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয়। এগুলো মাথার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। আর এটি বাসায় নিজে করা ঝুঁকিপূর্ণ।

কসমেটোলজিস্ট শোভন সাহা জানালেন, কৃত্রিমভাবে চুল কোঁকড়া করলে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ঠিকভাবে যত্ন নিলে এটি আরও দীর্ঘ সময় ধরে রাখা সম্ভব।

কোঁকড়ানো চুল সোজাভাবে আঁচড়ানো যাবে না। হাত দিয়ে রিং করে সেট করে নিতে হবে। ঘন ঘন ব্রাশ করলে চুলের কোঁকড়া ভাব চলে যায়। তখন চুলে কিছুটা ঢেউখেলানো (ওয়েভি) ভাব আসে। কোঁকড়া চুলে প্রচুর ধুলাবালু আটকা পড়ে।

কোঁকড়া চুলে প্রতিদিন শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। চুল শুকানোর সময় ফ্ল্যাট ব্রাশ দিয়ে ব্লো-ড্রাই না করা ভালো। চুল সিল্কি বা স্ট্রেট করে, এমন সিরাম ব্যবহারও এড়িয়ে যেতে হবে।

ভেবে নিতে হবে
চুল কোঁকড়া করার আগে কিছু বিষয় আগেই ভেবে নিতে হবে। কৃত্রিমভাবে কোঁকড়া করলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এটি করতে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, সেটি মাথার ত্বকে লাগলে চুল পড়া দেখা দেয়।

এ জন্য চুলের দৈর্ঘ্য কিছুটা বড় হতে হয়। কোঁকড়া করার জন্য অন্তত ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা চুল থাকতে হবে। এ ছাড়া চুল ভেঙেও যেতে পারে।

prothomalo-bangla%2F2026-03-30%2Fcjblrw3p%2F040A8457.jpg?w=622&auto=format%2Ccompress&fmt=avif

গরম বা আর্দ্র আবহাওয়ায় কোঁকড়ানো চুল অস্বস্তিকর লাগতে পারে। ঘামের কারণে অনেকের ঠান্ডা লেগে যায়। ঘাম হওয়ার কারণে মাথা চুলকাতে পারে। সেখান থেকে মাথায় খুশকি হয়। তাই ঘেমে গেলে ঠান্ডা বাতাস দিয়ে চুল শুকিয়ে নেওয়া জরুরি।

Your experience on this site will be improved by allowing cookies.